মুখের দাগ সারিয়ে তুলতে মুগ ডালের ফেসপ্যাক !

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো মুখের দাগ সারিয়ে তুলতে মুগ ডালের ফেসপ্যাক  সম্পর্কে। মুখ আমাদের শরীরের সব চাইতে সুন্দর অঙ্গ। আর আপনার সুন্দর মুখের সব সৌন্দর্য ফিকে করে দিতে মুখের দাগই যথেষ্ট। সৌন্দর্য পিপাসু প্রতিটা নারী এমনকি পুরুষের অন্যতম একটি বড় সমস্যা হচ্ছে মুখে দাগ(Mark) থাকা। হতে পারে সেটা ব্রণের দাগ, মেছতার দাগ, ছলির দাগ(Mark) কিংবা অন্য যেকোন ছোপ ছোপ দাগ।

এই দাগ(Mark) সারাতে আপনি হয়তো কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করে যাচ্ছেন ডাক্তারের কাছে, কিংবা যাচ্ছেন বিভিন্ন পার্লারে নানা ধরনের স্কিন ট্রিটমেন্ট নিতে অথবা বাজার থেকে কিনছেন দাগ সারিয়ে তোলার নামি দামী স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট। ভেবে দেখেছেন এইসব ডাক্তারি ওষুধ, পার্লারের স্কিন ট্রিটমেন্ট ও বাজারের স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট(Skin care product) আপনার ত্বকের উপকারে আসছে কতটুকু আর ক্ষতি করছে কতটুকু? হ্যাঁ এগুলো হয়তো সাময়িকভাবে আপনার মুখের দাগ সারিয়ে তুলতে সক্ষম হবে কিংবা হালকা করে দিতে পারবে কিন্তু পরিণামে আপনার ত্বকের যে ক্ষতি হয়ে যাবে সেই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন তো?

তাই আসুন মুখের দাগ(Mark) সারিয়ে তুলতে আজ আপনাদের এমন একটি প্যাকের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো যেটি আপনি আপনার রান্নাঘরের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়েই বানাতে পারবেন আর আপনার ত্বকের কোন ক্ষতিও হবে না। আপনি ঘরে বসে মুগ ডালের একটা প্যাক ব্যবহার করেই আপনার ত্বকের Mark সারিয়ে তুলতে পারেন।

রেসিপিঃ
– ২ টেবিল চামচ মুগের ডাল রাতে একটি বাটিতে ভিজিয়ে রাখুন এবং সকালে বেটে পেস্ট বানিয়ে ফেলুন।
– ১ টেবিল চামচ কমলার খোসা গুঁড়া নিন।
– এবার মুগ ডাল পেস্ট আর কমলার খোসার পাউডার নিয়ে একসাথে মিশিয়ে তাতে ২ চা চামচ মধু(Honey) মিশান।
– সামান্য পরিমাণ কাঁচা দুধ(Milk) মিশিয়ে ভালোভাবে পেস্ট বানান।

যেভাবে ব্যবহার করবেনঃ
-এই পেস্ট আপনার মুখের ত্বকে সুন্দর করে লাগিয়ে নিন।
-১৫ থেকে ২০ মিনিট এটি আপনার মুখে রাখুন।
-শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে আপনার মুখ(Face) ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।
-ভালো ফলাফল পেতে এই পদ্ধতি সপ্তাহে ২ বার ফলো করুন।

উপকারিতাঃ
মুগ ডালের ভিটামিন বি১, বি৫, বি৬ ও বি৯ ত্বকের ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ায়। এমনকি মুগ ডালের ভিটামিন বি(Vitamin B) উপাদান ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দাগ(Mark) হালকা করতে সাহায্য করে। কমলার খোসা ত্বককে ড্যামেজ থেকে বাঁচিয়ে ত্বকের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে ও ত্বক নরম ও নমনীয় করে তলে। যার কারণে আপনি যদি নিয়ম মেনে এই দুই উপাদান দিয়ে আপনার ত্বকের যত্ন(Skin care) চালিয়ে যান তাহলে আশা করা যায় আপনার মুখের Mark কমে আসবে।

মুখের দাগের জায়গাটি নিয়ে বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করবেন না। দাগ(Mark) সারাতে গিয়ে নিজের ত্বক নিয়ে কোনভাবেই এক্সপেরিমেন্ট করতে যাবেন না। আর একটা কথা মনে রাখবেন দাগ নিয়ে দুশ্চিন্তা বা স্ট্রেস যেটাই বলুন এগুলো একদম করবেন না, এতে আপনার মুখের দাগ দূর হওয়ার কোন সম্ভাবনা না থাকলেও আপনার ত্বকের বারোটা বাজার বেশ সম্ভাবনা থেকে যায়।

সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.