স্বা’মী টানা ক’রলো, ম’হ’বি’প’দে নতুন ব’উ যা কর’লো!

আধু’নিক ভারতীয় নারী’দের চিন্তা’ভাবনা-বি’বেচনা নিয়ে শুরু হয়েছে বিবি’সি হি’ন্দির বিশেষ ধা’রাবা’হিক প্রতিবেদন ‘হার চয়েস’। ১২ জন ভারতীয় নারীর বাস্তব জীবনের অ’ভিজ্ঞতা, তাদের আকাঙ্ক্ষা, বিকল্পের সন্ধান- এ সবই উঠে এসেছে তাদের মুখ থেকে। তারই ধা’রাবাহি’কতায় শনিবার (7 জানুয়ারি) দক্ষিণ ভারতের এক নারীর জীবনকথা নিয়ে একটি প্রতিবেদন। তবে মেয়েটির অনুরোধে প্রতিবেদনটিতে তার নাম পরিচয় গো’পন রাখা হয়েছে।

‘সেটা ছিল আমা’র বিয়ের প্রথম রাত। প্রথমবার কোনো পুরুষের স’’ঙ্গে অ’ন্তর’’’ঙ্গ ‘’’হতে চলেছিলাম আমি। প্রাণের বান্ধবীদেরকাছ থেকে শোনা কিছু কথা আর কয়েকটা ভিডিও দেখে আমা’র মনের মধ্যে প্রথম রাতের যে ছবিটা বারে বারে মনে পড়ছিল, ইচ্ছাগু’’’লোও জেগে উঠছিল সেরক’মভাবেই।

মাথা ঝুঁকি’য়ে, হাতে দু’ধের গ্লাস নিয়ে আমি যখন শোবার ঘরে প্রবেশ করলাম, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই ছবির মতোই সব কিছু চলছিল। আমি তখনও জানতাম না যে তার কিছুক্ষণের মধ্যেই আমা’র সেই স্বপ্নগু’’’লো ভেঙে যাব’’’ে। প্রথম রাতের স্বপ্নে এরকমটা হওয়ার ছিল-আমি ঘরে আসার পরে স্বামী আমাকে জড়িয়ে ধরবে, চুম্বনের স্রোতে ভাসিয়ে দেবে, আর সারা রাত ধরে আমাকে ভালবাসবে।

কিন্তু বাস্তব যে ছ’বিটা দেখলাম তা হলো, আমি ঘরে ঢোকার আগেই আমা’র স্বামী ঘু’মিয়ে পড়েছেন। ওই মুহূর্তে মনে হলো আমা’র অস্তি’ত্বটাই যেন আমা’র স্বামী সম্পূর্ণ’ভাবে অস্বী’র করলেন। আমা’র বয়স সেই সময়ে ছিল 34। আমি কৌ’মা’র্য হারা’ইনি তখনও ।’

স্বপ্নভ’’’ঙ্গ কলেজে পড়ার সময়ে, বা তার পরে যখন চাক’রি করি, তখনও দেখতাম আমা’রই কাছের কোনো ছেলে আর মেয়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠছে। তারা একে অন্যের হাত ধরে, বা কাঁধে মাথা রেখে ঘুরে বেড়াতো।

আমি মনে মনে ভাবতাম, আহা, যদি আমা’রও এরকম কোনও সুযোগ আসতো। আমা’রও তো ইচ্ছা ‘’’হতো ওইভাবে কারও ঘনিষ্ঠ ‘’’হতে! আমা’দের পরিবারটা বেশ বড় ছিল- চার ভাই, এক বোন, বয়স্ক বাবা-মা। তবুও আমা’র সবসময়েই একা লাগতো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.