বাবা হও’য়ার সঠিক ব’য়স, যা বলছে গবেষণা

অনেক পুরু’ষের ভাবনা, সন্তা’ন জ’ন্ম দে’ওয়ার ক্ষেত্রে তাদের বয়স কোনো বাধা নয়। তাদের এই ধারণা একেবারেই ভুল। যদিও ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সি অনেক পুরুষও সন্তান জন্ম দিতে সক্ষম হয়েছেন। গিনেস বুক রেকর্ডসের মতে, 90৯ বছর বয়সি এক পুরুষ সন্তানের জন্ম দিতে সক্ষম হয়েছেন।

বিভিন্ন গবেষণা বলছে, 4০ বছরের পর পুরুষদের সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরুষদের ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়স পিতা হওয়ার জন্য আদর্শ।

নারীদের ক্ষেত্রে ঋতু’বন্ধের পরে সন্তা’নধারণের কোনও সম্ভাবনা থাকে না। কিন্তু ছেলেদের শরীরে শু’ক্রাণু তৈরির প্রক্রিয়া কখনও বন্ধ হয় না। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তাদের নারীদের মতো ‘বায়ো’ল”জি’ক্যাল ক্লক’ নেই।

পুরুষদের বয়স বাড়ার স’ শুক্রা’ণুগু’লো জেনেটিক মিউটেশনের মধ্য দিয়ে যায়। ফলে শু’ক্রাণুর ডি’এনএ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। পুরুষদের সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা প্রভা’বিত হয়। শুধু তা-ই নয়, সেই বয়সে যদি তিনি সন্তানের জন্ম দিয়েও ফেলেন, তাহলে শিশুর স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে শিশুদের স্নায়ু’তন্ত্রজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

‘জার্নাল অব এপি’ডেমিওল’জি অ্যান্ড কমিউ’নিটি হেলথ’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ২৫ বছর বয়সের আগে বাবা হওয়া তাঁদের স্বাস্থ্যের গুরুতর পরি’ণতি ডেকে আনতে পারে, এমনকি মধ্যবয়সে অকা’লমৃত্যুও হতে পারে।

বাড়তি বয়সের সঙ্গে সঙ্গে জীবনধারায় অনিয়ম পুরুষ’দের বন্ধ্য’ত্বের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। অ’স্বাস্থ্যকর খাদ্যা’ভ্যাস, ধূ’ম’পান, ম’দ্য’পান, মান’সিক চাপ, বিভি’ন্ন প্রকার ‘ওষুধ, স্থূ’লতা— পু’রুষের ব’ন্ধ্য’ত্বের জন্য সবচে’য়ে বেশি দা’য়ী।

Leave a Reply

Your email address will not be published.