যে ০৯ টি খাদ্য গ্রহণে পাবেন পরিষ্কার ও দ্বীপ্তিময় ত্বক

বর্তমানে বাজারে পাওয়া যায়, স্কিন কেয়ার ট্রিটমেন্টের বিভিন্ন প্রোডাক্ট। প্রতিদিনই এর পরিসরে যোগ হচ্ছে আরও অনেক নতুন প্রোডাক্ট। কিন্তু এত শত প্রোডাক্টের ভিড়েও ত্বকের সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। কারণ অনেক সমস্যার কারণই মূলত আভ্যন্তরীণ। সেক্ষেত্রে আপনার পরিষ্কার উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার জন্য নিয়মিত কিছু খাবার গ্রহণই হতে পারে সঠিক পদক্ষেপ।
আজ আপনাদের ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় ১০ টি খাবারের কথা আলোচনা করা হবে। এই খাবারগুলো গ্রহণে ত্বকের উপকারীতা বিশেভাবে প্রমাণিত।

 

 

 

 

১। টমেটো পুষ্টির একটি বড় উৎস। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা ত্বকের কোলাজেন তৈরি ত্বরান্বিত করে ত্বকের দৃঢ়তা আর তারুন্যতা বজায় রাখে। এতে আরও রয়েছে লাইকোপেন, যা ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।২। তেলযুক্ত মাছ তেলযুক্ত মাছ যেমন স্যামন আর টুনা মাছ। এসবে আছে ওমেগা- ৩ এর ফ্যাটি এসিড যা ত্বকের কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক টানটান হয়। তাছাড়া ত্বকের প্রদাহ, ফোলা ভাব কমিয়ে ত্বককে নিখুঁত হতে সাহায্য করে।

 

 

 

 

 

৩। লাল আঙুর এতে রয়েছে শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট সমূহ। যা ত্বকের প্রদাহ, একজিমা, এলার্জি প্রতিরোধ করে। ফ্রি র‍্যাডিকেলের দরুন ত্বকের ড্যামেজিং ইফেক্ট যা বলিরেখা তৈরি করতে পারে, তার বিরুদ্ধে এন্টি অক্সিডেন্ট কাজ করে।  ৪। হোলগ্রেইন খাবারসমূহ এধরণের খাবারসমূহে পুরো শস্য শাঁস বা গ্রেইন কার্নেল থাকে। ওটমিল, ব্রাউন রাইস এধরণের কিছু খাবার। এসবে কার্বোহাইড্রেট থাকে যা আমাদের দেহে ভাঙতে অনেক সময় লাগে ফলে ব্লাড শ্যুগার লেভেলের সাথে না মিশে শক্তির উৎস হিসেবে বজায় থাকে।

 

 

 

 

৫। ডালিম পরিষ্কার ত্বক পাওয়ার জন্য খুবই উপকারী একটি ফল হচ্ছে ডালিম। প্রতিদিন ১-২ গ্লাস ডালিমের জ্যুস খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। এই ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পলিফেনল এন্টি অক্সিডেন্ট যা বয়সের ছাপ পড়া থেকে ত্বককে রক্ষা করে। তাছাড়া ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে ত্বকে গোলাপি আভা ফুটিয়ে তুলে।

 

 

 

 

 

৬। সবুজ, হলুদ ক্যাপসিকাম  এগুলো গ্রহণে চোখের চারপাশের ত্বক ভালো থাকে। এতে বিদ্যমান ক্যারোটিনয়েডস রোদে ত্বকের সেনসিটিভিটি কমায়। ৭। বাদাম  খেলে ত্বকের একনির সমস্যা দূর হয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে রয়েছে সেলেনিয়াম, জিংক, ভিটামিন- ই যা ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

 

 

 

 

 

৮। বিটরুটে রয়েছে ভিটামিন এ এবং ই, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম যা আমাদের ত্বকের জন্য ত্যাবশ্যকীয় উপাদান। অনেক ক্ষেত্রে এটি বডি ক্লিনজার নামেও পরিচিত। কেননা বিটরুট দেহের টক্সিন অপসারণের কাজ করে। তাই খাদ্য তালিকায় বিটরুট রাখুন।  ৯। কলমি শাক এতে যেই ম্যাঙ্গানিজ, পটাশিয়াম, বিটা ক্যারোটিন আর এন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে তা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। দেহের বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়ার মাধ্যমে এটি ত্বকের প্রাণবন্ত করে তুলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.