ঘুমের মধ্যে খারাপ স্বপ্ন দেখলে দোষ কাটাতে কি করবেন…

আমরা সবাই স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি। স্বপ্নের মধ্যে অনেকেই সাড়া বিশ্ব ঘুরে বেড়ায়। আমরা অনেক সময় খারাপ স্বপ্ন দেখে থাকি ঘুমের মধ্যে। বাজে স্বপ্নের অনেক কারন থাকতে পারে। সারাদিনে আমরা যা ভালো মন্দ কাজ করে থাকি বা আমাদের সাথে যা ভালো মন্দ ঘটনা ঘটে থাকে তা আমাদের অবচেতন মনে থেকে যায়।

কাজে কর্মে আমরা সেসব ভুলে গেলেও অবচেতন মন ভোলে না, আর যার ফলস্বরুপ আমরা বাজে স্বপ্ন দেখে থাকি। অনেকেই স্বপ্নে দেখে থাকে গভীর জঙ্গলের মধ্যে একা, প্রান ভয়ে দৌড়াচ্ছে বা জলে ডুবে যাচ্ছে, গভীর খাদে পরে যাচ্ছে বা কেউ আপনার গলা টিপে ধরছে।
এই ধরনের ভয়ানক স্বপ্ন দেখে অনেকেরই রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায়। কিন্তু কেনো এইরকম স্বপ্ন মানুষ দেখে বা এর থেকে প্রতিকার পেতে কি করা উচিত। অনেকেই নরম বালিশে মাথা রেখে মোবাইলে মুভি দেখতে পছন্দ করেন। কিন্তু মাথায় রাখতে হবে এমন কোনো মুভি দেখা উচিত না যা আমাদের অবচেতন মনে র‍য়ে যাবে। যেমন ভুতের মুভি।

এতে বাজে স্বপ্ন দেখার সম্ভবনা বেড়ে যায়। ঘুমানোর আগে ভালো বই পরুন বা ভালো মুভি দেখুন, যাতে স্বপ্ন দেখলেও ভয়ের না হয়, তাতে ঘুম ভালো হবে। সারাদিনের কাজের চাপ, দুশ্চিন্তা, স্ট্রেস আপনার বাজে স্বপ্ন দেখার কারন হতে পারে।

মেডিটেশন যেকোনো মানসিক সমস্যার খুব ভালো সমাধান। প্রতিদিন ঘুমানোর আগে ৫ মিনিট চোখ বন্ধ করে ভালো কিছু চিন্তা করুন, ভালো স্মৃতি মনে করুন, এতে মন শান্ত হবে ও ঘুম ভালো হবে। আমরা অনেকেই ছোটবেলায় দিদা ঠাকুমার কাছে গল্প শুনেছি এঠো জামাকাপড় পড়ে শুলে স্বপ্নে অপদেবতা আসে।

চেষ্টা করুন রাত্রে পরিষ্কার জামা কাপড় পড়ে শুতে। রাতে অতিরিক্ত খাবার খেলে মেটাবলিজম বেড়ে যায়, ফলে ব্রেন এক্টিভ হয়ে ওঠে। এতে বাজে স্বপ্ন দেখার সম্ভবনা দেখা যায়। চেষ্টা করুন রাতে হালকা ও কম খাবার খেতে।

বাজে স্বপ্ন দেখা বন্ধ করতে গেলে আপনাকে স্ট্রেস মুক্ত হতে হবে। এর জন্য আপনি ঘুমানোর আগে পছন্দের গান শুনতে পারেন, তাতে কাজ হতে পারে। অনেক সময় বাচ্চারা ভয়ের স্বপ্ন দেখে ঘুম থেকে উঠে পরে, ভয় পেয়ে কান্নাকাটি করে, সেক্ষেত্রে একটা বড় ফটকিরির টুকরো শোয়ার সময় বালিশের নিচে রাখলে ফল পাওয়া যায়, বা বোটা সমেত তুলসীপাতা বালিশের নিচে রাখলে উপকার পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.