শীত আসতেই পা ফেটে চৌচিড়! জেনে নিন ৩ টি ঘরোয়া সমাধান

শীতে পা ফাঁটা আমাদের দেশের কমন একটা সমস্যা।এটি প্রতিরোধ করবেন যেভাবেঃ

আপনার পা ফাঁটার সমস্যা যদি থাকে তাহলে সারা বছরই পায়ের যন্ত নিতে হবে। যার ফলে শীতকালে অনেকটাই এড়িয়ে চলতে পারবেন এ সমস্যা। যাদের কাজের প্রয়োজনে বেশি সময় ধরে হাঁটা চলাচল করতে হয় কিংবা যারা অনেকক্ষণ একটানা দাঁড়িয়ে থাকেন, তাদের পা ফাটার প্রবণতা অনেক বেশি হয়।

শুষ্ক বাতাসে পায়ের আর্দ্রতা কমে যাওয়ার জন্য অনেকের ত্বক ফাটতে পারে। প্রয়াজনের তুলনায় পানি কম খাওয়া হলে, দীর্ঘক্ষণ সময় গরম পানিতে স্নান করলে, এসব কারনেও পা ফাটার প্রবণতা দেখা দেয়।

যাদের ডায়াবেটিস রোগ আছে এবং যারা জোরে জোরে ঘষে পা পরিস্কার করেন। এদের পা ফাটার প্রবণতা সাধারণদের চেয়ে অনেক বেশী হয়। বাসায় ঘরোয়া উপায়ে নিয়মিত পায়ের যত্ন নিতে হবে।

শীতে যাদের গোড়ালী ফাঁটে আবার শীতকাল ছাড়াও বছরের অন্য সময়ে হাল্কা ক্রিমের প্রলেপ দিতে হবে। দু পায়ের পাতায় ও গোড়লীতে। বাসা হতে বের হলে সবসময় উলের বা সুতির মুজা পড়ুন ভালো কাজ হবে। সাথে পা যেনে ঢেকে যায় এমন জুতা পরিধান করুন।

অবশ্য অনেকে সারা বছরই পায়ে সুতির মোজা পড়েন। এতে পা অনেক ভালো থাকে। চাইলে আপনিও পড়তে পারেন। একটু কষ্ট হলেও গরমে যদি বাড়ির বাইরে সুতির মোজ পড়ে থাকতে পারেন তাহলে শীতকারে অনেক উপকার পাবেন।

এতে অনেকটাই কমবে পা ফাঁটার সমস্যা। জুতা মোজায় যেমন পায়ের আদ্রর্তা বজায় থাকে, ঠিক তেমনি জীবানু হতেও রক্ষা পায় পা। যতই আপনার ব্যস্ততা থাক না কেন, হালকা গরম জলে পায়ের গোড়ালী ডুবিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। এরপর পা ভালো করে মুছে ক্রিম

লাগান। এর চেয়েও উত্তম পস্থা হলো প্রতি রাতে শোয়ার আগে শুকনো পায়ে ক্রিম লাগিয়ে সুতির মোজা পড়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। আপনি চাইলেও অন্য যেকোন সময়ে এটি করতে পারেন।।

Leave a Reply

Your email address will not be published.