হার্ট অ্যাটাকের যে ৫ টি লক্ষণ দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন। অবশ্যই জানা থাকা উচিত

হৃদপিণ্ডের কোনো শিরায় যখন রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত প্রবাহে বাঁধার সৃষ্টি করে তখন হার্ট অ্যাটাক হয়। বয়স, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, উচ্চ মাত্রায় খারাপ কোলেস্টোরল, অতিরিক্ত মোটা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মদ্যপান, মানসিক চাপ এবং শারীরিক পরিশ্রম না করা হার্ট অ্যাটাকের মূল কারণ।

নিজে সুস্থ এবং প্রিয়জনদের সুস্থ রাখতে জেনে নিন হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ এবং প্রতিরোধ করার উপায়। হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ ১) বুকে ব্যথা এবং চাপ অনুভব হার্ট অ্যাটাকের সবচেয়ে বড় লক্ষন হল বুকে ব্যথা হওয়া। তাই যদি বুকে ব্যথা অনুভব করেন, অথবা কোনও ব্যক্তিকে বুকে ব্যথায় কষ্ট পেতে দেখেন,তাহলে দেরি না করে  তাড়াতাড়ি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।

২) ক্লান্তি, অবসাদ ক্লান্তি, অবসাদ হার্ট অ্যাটাকের বড় লক্ষণ। অনেকে খুব বেশী  ক্লান্ত থাকেন এটাকে সহজে নেয়া যাবে না। অবসাদ থেকে দূরে থাকতে হবে। ৩। মাথা ঘোরা বা ঝিমঝিম করা, ঘাম হওয়া, নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসা, বমি ভাব হওয়া, বুক ধড়ফড় করা অথবা কারণ ছাড়াই অস্থির লাগা।

৪। বিশেষ করে নারী বয়স্ক মানুষ এবং যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন আবার কারো ক্ষেত্রে হয়ত বুকে ব্যথা অনুভব করেননি। ৫। বুকে ব্যথা হওয়ার সঙ্গে কিংবা ছাড়াই যদি শ্বাস নিতে কষ্ট হয় তাহলে অবশ্যই সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের কাছে যান। যেভাবে হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করবেন

১। সবার আগেতামাকজাতীয় দ্রব্য বর্জন করতে হবে। ২। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। রক্তচাপ ঠিক রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা করা করেতে হবে। নিয়মিত হাঁটা-চলা ও ব্যায়াম করতে হবে।

৩। নিজেকে অবশ্যই চিন্তামুক্ত রাখতে হবে। স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। ৪। অ্যালকোহলে প্রচুর পরিমানে ক্যালোরি থাকে। অতিরিক্ত মদ্যপান রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। তাই হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে মদ্যপান অবশ্যই ত্যাগ করতে হবে। ৫। মাঝে মাঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে

Leave a Reply

Your email address will not be published.