রুটি বিক্রির অর্থ দিয়ে মসজিদ নির্মাণ করলো তুর্কি নারীরা

তুরস্কের বুরসা প্রদেশের একটি বিধ্বস্ত মসজিদ পুননির্মাণ কাজে রুটি বিক্রি করে বিশাল অংকের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন স্থানীয় নারীরা। মসজিদটির পুননির্মাণে আনুমানিক এক লাখ ৮১ হাজার ডলার ব্যয় হয়।

তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় বুরসা প্রদেশের ওরহানলি অঞ্চলের বাসকো গ্রামের একটি পুরোনো মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই গ্রামবাসী মসজিদ পুনসংস্কারের উদ্যোগ নেন। তখন গ্রামের নারীরাও নির্মাণকাজে বিশাল অংকের আর্থিক সহায়তা দিতে এগিয়ে আসেন।

আর্থিক অনুদান নিশ্চিত করতে একাধারে দুই বছর ওই নারীরা রুটি বিক্রি করতেন। সপ্তাহে একদিন বা দুইদিন দোকানে এসে তাঁরা রুটি বিক্রি করতেন। পুরো সময়ের জমানো অর্থ তাঁরা মসজিদ নির্মাণকাজে অনুদান হিসেবে ব্যয় করেন।

গ্রামের প্রধান হাসান আকার জানান যে, গ্রামের মসজিদ সংস্কারের কাজ তাঁরা দুই বছর আগে শুরু করেছে। এমনকি মসজিদের অধিকাংশ এখন শেষ। এখন পর্যন্ত আমাদের সাড়ে ১০ লাখ তুর্কি লিরা অর্থ ব্যয় হয়েছে।

হাসান আকার আরও জানান, এ সময় গ্রামের কিছু নারী রুটি তৈরি করে বিক্রয়লব্ধ অর্থ মসজিদের জন্য দান করে। পরিশ্রমের মাধ্যমে মসজিদ সংস্কারের সহায়তায় তাঁরা এগিয়ে আসেন। স্থানীয়রা নারীদের কাছে রুটি তৈরি করতে আটা পাঠিয়ে দেয়। অতঃপর পারিশ্রমিক হিসেবে পাওয়া অর্থ তাঁরা মসজিদে দান করে দেন।

অবশেষে আল আকসা মসজিদে ইবাদতের সুযোগ পেল ফিলিস্তিনিরা

ফিলিস্তিনিদের প্রতিবাদ-বিক্ষোভের পর পবিত্র রমজান মাসে ইবাদতের জন্য আল আকসা মসজিদের সামনের নিরাপত্তা বেষ্টনী সরিয়ে নিয়েছে দখলদার ইসরাইল।

তবে শেষ পর্যন্ত পবিত্র রমজানে আল আকসা মসজিদে ইবাদতের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত সাধারণ ফিলিস্তিনিরা।

এর আগে ওই মসজিদ খুলে দেওয়ার দাবিতে ফিলিস্তিনিদের প্রতিবাদ- বিক্ষোভে নির্বিচারে হামলা চালিয়ে শতাধিক মানুষকে আহত করে ইসরাইলি বাহিনী। আটক করা হয় বহু মানুষকে।

পবিত্র রমজানে আল আকসা মসজিদে নামাজ আদায়ের জন্য বেশ কয়েকদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছিলেন সাধারণ ফিলিস্তিনিরা। রোববার (২৫ এপ্রিল) এ আন্দোলন আরও তীব্র হয়।

বরাবরের মতো নির্বিচারে হামলা এবং গ্রেফতারের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের কণ্ঠস্বর দমিয়ে রাখার চেষ্টা করে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। হামলায় আহত হন শতাধিক মানুষ। গ্রেফতার করা হয় ৫০ জনের বেশি আন্দোলনকারীকে।

এরপরও বিক্ষোভ অব্যাহত রাখলে নমনীয় হয় ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনী। সরিয়ে নেয় আল আকসা মসজিদের সামনের বেষ্টনী।

বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস নিয়ে মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন সাধারণ মুসল্লিরা। যদিও পুরো এলাকাজুড়ে ছিল ইসরাইলি বাহিনীর কড়া নজরদারি।

তবে ফিলিস্তিনিদের আশঙ্কা, আবারো যেকোন মুহূর্তে বন্ধ হয়ে যেতে পারে মসজিদ আল আকসার দ্বার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান তাদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published.