ইলিশের এই ৫ উপকারিতার কথা,যা আগে কারোরই জানা ছিল না!

ডাক্তাররা ইলিশ খেতে না করেন। তবে জানেন কি ইলিশ সুস্বাদুর সাথে সাথে ইলিশের অনেক উপকারিতাও রয়েছে,চলুন এক ঝলকে জেনে নেওয়া যাক-
৪.হার্ট ভালো রাখে
হার্টের সুস্থতা বজায় রাখতে চাইলে অবশ্যই ইলিশ খান।কারণ এতে আছে প্রচুর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। সামুদ্রিক মাছ হিসেবে ইলিশে সম্পৃক্ত চর্বি কম থাকে। ফলে সুস্থ থাকে হার্ট।

৩.দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়
ইলিশে থাকা ভিটামিন এ যা চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড চোখের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
২.ত্বক ভালো রাখে
ইলিশে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাট ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা প্রোটিন কোলাজেনের অন্যতম উপাদান। এই কোলাজেন ত্বক নমনীয় রাখতে সাহায্য করে, পড়তে দেয় না বয়সের ছাপ।
১.রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়

রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে ইলিশ বেশ উপকারী। এতে আছে ইপিএ ও ডিএইচএ নামক ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। তাই ইলিশ মাছ খেলে আমাদের রক্তসঞ্চালন ভালো হয়।

আরও পড়ুন

আজকালকার দিনে ডায়াবেটিস এর মতো রোগ প্রায় সবারই ঘরে ঘরে আছে।বয়স হলে এই রোগ হওয়া কমন ব্যাপার হয়ে যায়।আর একবার এই রোগ ধরা পড়লে ভাত ছেড়ে রুটি, পাউরুটি বা ওই জাতীয় আটা-ময়দার খাবারের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। অধিকাংশেরই একটা ধারণা রয়েছে, সুগার ধরা পড়লে ভাতের বদলে রুটি খেলেই শরীর সুস্থ আর ঝরঝরে থাকে।রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভাতের বদলে রুটি খাওয়াই উপকারী বলে মনে করেন। তবে জানেন কি?

আটা-ময়দার খাবারে থাকা গ্লুটেন ইনসুলিনের ক্ষরণ আরো বাড়িয়ে দেয়। দিনের পর দিন এমনটা চলতে থাকলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস মারাত্মক আকার নিতে পারে।

একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, গমে থাকা গ্লুটেন নামক উপাদান হজম হতে অনেকটাই সময় নেয়। এই গ্লুটেন হজম হওয়া মানেই রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে ইনসুলিনের ক্ষরণও বেড়ে যায়। ফলে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। সেই জন্যই যাদের পরিবারে ডায়াবেটিসের রোগী রয়েছেন, চিকিত্‍সকেরা তাদের গমের তৈরি খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.