বন্ধুর বাড়িতে গেলে কিছু বিষয় আপনার মেনে চলা উচিত। জেনে রাখুন।

বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে কার না ভালো লাগে? আর আড্ডাটা যদি হয় কোনো বন্ধুর বাড়িতে, তাহলে আড্ডার সঙ্গে যোগ হয় আন্টির/আপুদের হাতে বানানো মজাদার খাবার আর বাড়তি অনেকখানি স্নেহ মমতার স্পর্শ। হাসি আনন্দে কেটে যায় আড্ডাবাজির অসাধারণ কিছু সময়।

তবে পৃথিবীতে সব মানুষ যেমন এক রকম নয়, তেমনি সবার বাড়ির পরিবেশও নয়। আমাদের মাঝে অনেকের বাড়িতেই বাড়িতে আড্ডা দেবার পরিবেশ বা অনুমতি কিন্তু নেই, তাইনা? আবার অনেক ক্ষেত্রে আমরা নিজেরাও বন্ধুর বাড়ি গিয়ে বেশি উচ্ছ্বাসের কারণে ভুলে যাই স্বাভাবিক কিছু শিষ্টাচার। সুতরাং যে বন্ধুটির বাড়িতে আপনার অবাধ যাতায়াত, সেই বাড়ির দরজা যাতে আপনার জন্য বন্ধ না হয়ে যায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে আপনাকেই। মেনে চলুন কিছু সাধারণ শিষ্টাচার, তাহলে বিরাগভাজন হতে হবে না কারুরই!না আজকে, না জীবনে কখনও।

বন্ধুর বাড়িতে গেলে মাথায় রাখুন এসব বিষয় –

বাড়ির অন্য সদস্যদের সাথে দেখা হয়ে গেলে কুশল জিজ্ঞাসা করুন। বাসায় অপরিচিত কাউকে দেখলে এড়িয়ে যাবেন না, তার দিকে তাকিয়ে সম্ভাষণের ভঙ্গিতে মিষ্টি করে হাসুন।
গল্প করার ফাঁকে কেউ চলে এলে হঠাত্‍ কথা না থামিয়ে কথার প্রসঙ্গ পালটে ফেলুন।
অযথা হুল্লোড় করবেন না বা চেঁচিয়ে বাড়ি মাথায় তুলবেন না।
কথা বলার সময় শব্দ চয়নে সতর্ক হোন। বেফাঁস কিছু বলবেন না বা স্ল্যাং ব্যবহার করবেন না।

বাড়ির কোনো সদস্য নাশতা দিতে এলে জায়গা থেকে উঠে তাকে পরিবেশন করতে সাহায্য করুন।
আপনার বন্ধু হয়তো আপনার সাথে এমন কিছু কথা শেয়ার করে যা বাড়ির কারো সাথে করে না, সেই বিষয়গুলো কথার প্রসঙ্গে টেনে আনবেন না। বাসায় কোন কথা বলা যাবে আর কোনটা যাবে না – এসব আপনার বন্ধুর কাছ থেকে আগেই জেনে নিন।
আড্ডায় অনেক সময় বাড়ির কোনো সদস্যও যোগ দিতে পারে। তার সামনে এমন কথা বলবেন না, যাতে আপনার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা জন্মে।

বলা হয়, বন্ধু তৈরি মাটিতে বন্ধু লেখার মতো সহজ, কিন্তু বন্ধুত্ব রক্ষা করা পানিতে বন্ধুত্ব লেখার মতো কঠিন। আর বন্ধুত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে বন্ধুর পরিবারও অনেক ভূমিকা রাখে। তাই বন্ধুত্ব রক্ষার খাতিরে হলেও বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে নম্র ও ভদ্র থাকুন!

Leave a Reply

Your email address will not be published.