যেভাবে চিনবেন আসল-নকল প্রসাধনী

বর্তমানে বেশিরভাগ নারীই অনলাইনে প্রসাধনী কিনে থাকেন। সে ক্ষেত্রেও নকল পণ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নকলের ভিড়ে আসল প্রসাধনী খুঁজে বের করার কিছু উপায় রয়েছে।

চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে আসল ও নকল পণ্যের পার্থক্য বুঝবেন-

প্যাকেজিং এর দিকে নজর দিন
পণ্যের প্যাকেট, লোগোর অবস্থান সব কিছুর দিকে নজর দিন। নকল পণ্যে কিছু না কিছু বৈসাদৃশ্য আপনি পাবেন। হয়ত আপনি ম্যাক ব্র্যান্ডের একটি লিপস্টিক কিনতে যাচ্ছেন। দেখুন লোগোটি ঠিক একই জায়গায় বসানো কিনা। আসল কোম্পানির সকল প্রডাকশন সবসময় একই রকম হয়।

অনুমোদিত বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য কিনুন
দোকান বড় হলেই পণ্য নির্ভেজাল হয় না। আপনি যে ব্র্যান্ডের পণ্য কিনতে চান তাদের অফিসিয়াল সাইটে প্রবেশ করে দেখে নিন দেশের কোথায় কোথায় তাদের অনুমোদিত বিক্রয়স্থল রয়েছে। শুধু এসব জায়গা থেকেই পণ্য কিনুন। সহজেই বাঁচতে পারবেন নকল থেকে।

পণ্যের রং খেয়াল করুন
নকল আইশ্যাডো, ব্লাশ-অন, লিপস্টিক এবং পাউডার সাধারণত আসল পণ্যের মত একই রঙের হয় না। আগেই ম্যানুফেকচারিং কোম্পানির সাইট থেকে রঙগুলো চিনে নিন।

বারকোড, সিরিয়াল নাম্বার এবং ম্যানুফেকচারিং তথ্য দেখুন
প্যাকেটের সিরিয়াল নাম্বার এবং ভেতরের পণ্যের সিরিয়াল নাম্বার মিলিয়ে নিন। নকল পণ্যে দেখা যায় কোন একটি সিরিয়াল নাম্বার মিসিং থাকে। আবার বারকোড প্রথম ২/৩ ডিজিটে গরমিল থাকতে পারে। পণ্য নকল হলে প্যাকেট এবং পণ্যে মিল পাবেন না। আসল পণ্যে অবশ্যই উৎপাদন তারিখ এবং মেয়াদ দেওয়া থাকবে।

ব্রাশ এবং স্পঞ্জ চেক করুন
প্যাকেজিং এবং অন্যান্য সব কিছু ঠিক থাকার পরও আপনার মেকআপ পণ্যটি নকল হবার সুযোগ থেকেই যায়। পরীক্ষা করুন আপনার পণ্যটির সাথে সে জিনিসগুলো দেওয়া হয় সেগুলো, যেমন- মেকআপ ব্রাশ, স্পঞ্জ। নকল পণ্যে এগুলো খুবই নিম্নমানের হয়।

ঘ্রাণ খেয়াল করুন
ব্র্যান্ডের পণ্যে কখনোই এমন কোন উপাদান ব্যবহার করা হয় না যা আপনার বিরক্তির কারণ হতে পারে। পণ্যের ঘনত্ব, ঘ্রাণ সবকিছুতে একটি স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখা হয়। তাই যখন উৎকট গন্ধ বা এমন কোন ঘ্রাণ অনুভব করবেন যা ভাল লাগছে না তখন পণ্যটি কেনার ব্যাপারে সচেতন হোন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.