শরীরের জন্য যে খাবারের বিকল্প নেই

আমরা প্রতিদিন কত কাজ করছি, প্রয়োজনে অনেক ছোটাছুটি করছি। কিন্তু নিজের শরীরের কি খেয়াল রাখছি? কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়াটাই স্বাভাবিক। এই জন্য কিছু খাবার যেগুলো নিয়মিত খেলে ক্লান্তি দূর করবে। এর পাশাপাশি শরীরকেও রাখবে সুস্থ ।

মধু মধুতে রয়েছে গ্লুকোজ ও ফ্রুকট‍্যেছ নামক দুই ধরনের সুগার। এটা শরীরে শক্তি যোগায় এবং ক্লান্তি দূর করে। পানিতে অল্প মধু মিশিয়ে খেলে পাকস্থলীর ক্ষত সারে। এছাড়া অন্যান্য উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পানি পানি শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে।

পানিশূন্যতা দেখা দিলে দুর্বলতা ও ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়।  শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার সাথে সাথে বিভিন্ন স্থানে খাদ্য উপাদান পরিবহন করে। তাই সুস্থতার জন্য পানির বিকল্প নেই। ডিম ডিমের মধ্যে আছে পানি, প্রোটিন, চর্বি, ভিটামিন-এ, ই, বি-৬, বি-১২, ফলেট, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, আয়রন, খনিজ পদার্থ যেমন জিঙ্ক, ম্যাঙ্গানিজ, সেলেনিয়াম ইত্যাদি। বলতে গেলে ডিমে সব ভিটামিনই কমবেশি থাকে।তাই নিয়মিত ডিম খান। কলা কলাতে রয়েছে ভিটামিন বি, সি, পটাসিয়াম, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, কার্বোহাইড্রেট এবং ফাইবার যা দেহে পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করে। প্রতিদিন একটি করে হলেও কলা খাওয়ার চেষ্টা করুন।

বাদাম ক্লান্ত লাগলে দ্রুত শক্তি জোগাতে বাদাম খাওয়া ভালো কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে আঁশ, প্রোটিন, ভালো চর্বি, মিনারেল (যেমন : ম্যাগনেসিয়াম) ইত্যাদি। দই দই এ প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট থাকে।এটা এনার্জির ঘাটতি পূরণ করার সবচেয়ে জরুরি উপাদান। তাই প্রতিদিন ১ কাপ করে দই খাবেন। ক্লান্তি আসবে না শরীরে। চা বা কফি শরীরকে চাঙা করতে চা বা কফি অনেক সহায়ক।

হৃৎযন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়, শ্বাস-প্রশ্বাসের হার বাড়ায় এবং শরীরকে উদ্দীপ্ত রাখে। তবে বেশি পান করলে রাত্রে নিদ্রাহীনতা হতে পারে। ডার্ক চকোলেট চকোলেট দ্রুত শক্তি যোগায় এবং মেজাজ ভালো করে। এতে রয়েছে থিব্রোমিন ও ট্রিপটোফেন। মস্তিষ্কে ভালো অনুভূতির হরমোন তৈরি করে মনকে শিথিল করতে সাহায্য করে।
থিব্রোমিন ও ট্রিপটোফেন। মস্তিষ্কে ভালো অনুভূতির হরমোন তৈরি করে মনকে শিথিল করতে সাহায্য করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.