অজ্ঞান পার্টির খপ্পর থেকে রক্ষা পাবেন যেভাবে

অনেক সময় অজ্ঞান ব্যক্তির মোবাইল দিয়ে তার নিকটাত্মীয়ের কাছে ফোন করে তাকে আটক রাখার কথা বলে বিকাশ বা অন্য কোনো মাধ্যমে আরও নগদ টাকা দাবি করে বলেও জানায় ডিএমপি। পুলিশ আরো জানায়, এ চক্রের সঙ্গে মহিলা সদস্যও রয়েছে। অনেক সময় তারা স্বামী-স্ত্রী সেজেও যানবাহনে ওঠে।

ঈদযাত্রায় এসব চক্রের খপ্পর থেকে বাঁচতে ঢাকা মহানগর পুলিশের পরামর্শগুলো হলো:

১. ভ্রমণ পথে অপরিচিত কেউ অহেতুক ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করলে তাকে পাত্তা না দেওয়া।
২. পাশের সিটের লোকটিই আপনার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলতে চাইবে এবং একসময় বিভিন্ন খাবার (কেক, চিপস, কোমল পানীয়, কাটা পেয়ারা বা আনারস ইত্যাদি) কিনে সেও খাবে আপনাকেও খেতে বলবে। ভুলেও সেই খাবার না খাওয়া।

৩. ফুটপাতে বা রাস্তার মোড়ে টং দোকান থেকে খাবার গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা।
৪. ফেরিওয়ালা বা ভ্রাম্যমাণ কারো কাছ থেকে আচার, আমড়া, শসা, পেয়ারা প্রভৃতি না খাওয়া।
৫. বাসে, ট্রেনে বা লঞ্চে ভ্রমণের সময় চকলেট, আইসক্রিম, সিগারেটজাতীয় কোনো খাবার না নেওয়া। আজকাল

 

ডাবের ভেতরে আগে থেকেই সিরিঞ্জের মাধ্যমে চেতনানাশক ওষুধ মেশানো থাকতে পারে। তাই কখন কোথা হতে তৃষ্ণা নিবারণ করছেন সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা।
৬. প্রয়োজনে যাত্রাপথে হালকা নাশতার জন্য বাড়ি থেকে সংগৃহীত খাবার বা পানীয় সঙ্গে রাখা অথবা স্থায়ী দোকান থেকে খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করা।

৭. সিএনজিতে চলার সময় যাত্রীরা ড্রাইভারের কাছ থেকে এবং ড্রাইভাররা যাত্রীদের কাছ থেকে কোনো খাবার গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা।
৮. যাত্রাপথে নগদ অর্থ বা যে কোনো মূল্যবান দ্রব্য নিরাপদ হেফাজতে রাখা।
৯. ভ্রমণের সময় পরিচিত কাউকে সঙ্গে রাখার চেষ্টা করা।

১০. যাত্রাপথে পাশের কোনো যাত্রী অসুস্থ হলে তাৎক্ষণিকভাবে যানবাহন পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সহযোগিতায় নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা। আপনার একটু সহযোগিতাই পারে বড় একটা দুর্ঘটনা থেকে বাঁচাতে।

১১. যাত্রাপথে কোনো ব্যক্তির আচার ব্যবহার সন্দেহজনক হলে নিকটস্থ পুলিশকে অবহিত করা।

একটু সচেতনতাই রক্ষা করতে পারে আপনার জীবন ও সম্পদ। নিজে সচেতন হোন, অন্যকে সচেতন করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.