ভোরে বিছানা ছাড়ার ৮টি জরুরি টিপস্

আপনি কি ঘুমকাতুরে? শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা বিছানা ছাড়তে বিরাট সমস্যা? প্রতিদিন আপিস যাওয়ার আগে হুড়ুমতাল। তার পরে রাস্তায় জ্যাম আর সিগন্যালে ঠেক খেতে খেতে প্রতিদিনই প্রতিজ্ঞা করেন— আর নয়। কাল থেকে ভাল হয়ে যাব। সেই ‘কাল’ আলেয়া হয়ে যায় পরের দিনই। আবার বিছানায় গড়গড়াং…।

কেন এমন হয়, তা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। লেখক গবেষক রেনি বিস্ মনে করেন সমাজের গতিবিধির সঙ্গে এই ‘ভোর হল, দোর খোল’-র সম্পর্ক রয়েছে। সামাজিক জটিলতাকে যিনি যতটা বেশি ভিতরে নেন, তাঁর ঘুম থেকে ওঠার ব্যাপারে ততটাই বিড়ম্বনা।

ভোরে বিছানা ছাড়ার কয়েকটা জরুরি টিপ থাকল এখানেঃ

রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মনে মনে ঠিক করুন আপনি ভোরে উঠবেনই। ঠিক ক’টার সময়ে উঠবেন, সেটা মনে একবারে গেঁথে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন।

মনস্তাত্ত্বিকরা ‘কগনিটিভ লোড’ বলে একটা ব্যাপারের কথা বলেন। যেমন বিলেতে বেশির ভাগ মানুষ দেখা হলেই আবহাওয়ার কথা বলেন। তেমনই খুঁজে বার করুন সক্কাল-সক্কাল আপনি কোন ‘কগনিটিভ লোড’-টি বিশেষভাবে নেন। তার পরে চেষ্টা করুন সেটাকে মাথা থেকে নামিয়ে ফেলতে।

মানুষ রাতচরা জীব নয়। সূর্যের সঙ্গে তার সম্পর্ক ওতপ্রোত। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সূর্যের সংস্পর্শে আসুন।
ঘুম থেকে জেগে ওঠার পিছনে কিছু হরমোনের খেলা রয়েছে। মোবাইলের অ্যালার্ম বেজে উঠলেই যদি আপনার হাত ‘স্নুজ’ বাটনে চলে যায়, তাহলে সেই অভ্যেস থেকে নিজেকে মুক্ত করুন। এতে হরমোনের স্বাভাবিক গতি ধাক্কা খাবে।

তেমন আলস্য পেয়ে বসলে নিজেকে চিমটি কেটে দেখতে পারেন। ইয়ার্কি নয়। সত্যি সত্যি কাজ দেয়।
এটা যদি মনে করেন জোরদার অ্যালার্মেই আপনি তড়াক করে উঠে পড়বেন, ভুল ভেবেছেন। বরং অ্যালার্ম রাখুন মৃদু, সুরেলা। এতে চোখ মেলতে কষ্ট হবে না।

 

প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠা অভ্যেস করুন।
ঘুমের জড়তা কাটান দ্রুত। ঘুম ভাঙলেই কিছু হালকা ব্যায়াম করে নিন।
ঘুম থেকে উঠে অনেকটা জল খান। জড়তা কাটবে।.

Leave a Reply

Your email address will not be published.