ব্রণের সমস্যা প্রতিরোধ করবে যে ৮টি খাবার

ব্রণের সমস্যা খুব যন্ত্রণাদায়ক। ব্রণ সেরে গেলেও দেখা যায় মুখে এর দাগ থেকে যায়। এজন্য প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এমন কিছু খাবার বেছে নিতে হবে যা ব্রণ প্রতিরোধ করে। এছাড়া জীবনযাপনেও আনতে হবে পরিবর্তন। চলুন জেনে নেওয়া যাক এসব খাবারের নাম।

 

 

 

 

পানি:

পানিতে যে পুষ্টি উপাদান ও অক্সিজেন রয়েছে তা ব্রণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। পানি ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

 

 

 

ওলিভ অয়েল লোশন :

জলপাই তেলের লোশন ছিদ্রগুলি আটকে না রেখে ত্বকে শোষিত হতে সাহায্য করে। সেই সাথে স্কিনের শ্বাস প্রশ্বাস সচল রাখে যা ব্রণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

 

 

 

লেবুর রস:

লেবুর রস অ্যাসিডের বর্জ্য অপসারণ করে এবং সাইট্রিক অ্যাসিড দ্বারা লিভারকে পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। এছাড়া রক্তের রক্তের টক্সিনগুলি দূর করতে এনজাইম তৈরিতে সহায়তা করে। এছাড়া লেবুর রস আপনার ত্বককে সতেজ এবং উজ্জ্বল করে তোলে।

 

 

 

তরমুজ:

ত্বকের দাগ দূর করতে তরমুজ বেশ উপকারী। তরমুজ ভিটামিন এ, বি এবং সি সমৃদ্ধ এবং ত্বককে সতেজ, উজ্জ্বল এবং হাইড্রেটেড রাখে। এটি ব্রণ রোধ করে এবং ব্রণর দাগ ও চিহ্ন দূর করে।

 

 

 

ব্যালেন্স ডায়েট:

সুষম ত্বকের জন্য সুষম ডায়েট সর্বোত্তম উপায়। স্বল্প চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবারে ভিটামিন এ থাকে যা স্বাস্থ্যকর ত্বকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

 

 

 

রাসবেরি:

ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং ফাইবারযুক্ত হওয়ায় রাসবেরি স্বাস্থ্যকর। এগুলো ফাইটোকেমিকায় সমৃদ্ধ যা ত্বকের জন্য প্রতিরক্ষামূলক।

 

 

 

দই:

দইতে অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণ রয়েছে তাই এটি ত্বক পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং আটকে থাকা ছিদ্রগুলো আনব্লক করার জন্য দই উপকারী।

 

 

 

আপেল:

আপেলগুলিতে প্রচুর পরিমাণে পেকটিন থাকে যা ব্রণের শত্রু। সুতরাং, প্যাকটিন বেশিরভাগ থাকায় আপেল খেতে ভুলবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.