যে ৫ টি খাবার খাবেন না! না খাওয়াই ভালো।

খাবার খেয়ে মানুষ জীবন ধারণ করে। এই খাবারের মধ্যে কিছু খাবার আছে যা মানব শ’রীরের জন্য ক্ষ’তিকর। এসব খাবার বাছাই কিংবা রান্নায় যথাযথ প্র’স্তুতি ছাড়া নি’রাপদে খাওয়া সম্ভব নয়। কেননা খাওয়ার আগে এসব খাবার থেকে বি’ষাক্ত অংশটি সঠিকভাবে দূ’র করা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না।

তাই এসব খাবার ডায়েট তালিকা থেকে বাদ দেওয়া উচিত। সঠিকভাবে পদক্ষে’প না নিয়ে এসব খাবার খেলে গু’রুতর অসু’স্থতা তৈরি করে। বমি বমি ভাব থেকে শুরু করে শ্বা’সকষ্ট, বি’কারগ্রস্ত এমনকি মৃ ত্যুর কারণ হতে পারে এই খাবার। এমন পাঁচটি খাবার আছে যা খাওয়ার আগে বি’শেষভাবে সত’র্ক হওয়া জ’রুরি। এবার এই পাঁচটি খাবার স’ম্পর্কে জা’না যাক

পটকা মাছ: পটকা মাছ খুবই ভ’য়ঙ্কর। এই মাছের শ’রীরে টেট্রো’ডোটক্সিন নামের একটি বি’ষাক্ত জিনিস থাকে, যা সায়ানাইডের চেয়েও মা’রাত্মক বলে মনে করা হয়। তবে এই ঝুঁ’কি সত্ত্বেও পাফার ফিশ বা পটকা মাছটি অনেক দেশে দামী খাবার হিসাবে পরিচিত। জাপানে পটকা মাছ জনপ্রিয় একটি খাবার।

এই মাছ দিয়ে খাবার তৈরি এবং গ্রাহকদের পরিবেশন করার আগে কয়েক বছর ধ’রে নিবিড় প্র’শিক্ষণ নিতে হয় জাপানের পাচকদের। পটকা মাছ খাবার হিসেবে তৈরির আগে এর ম’স্তিষ্ক, চামড়া, চোখ, ডিম্বাশয়, য’কৃত এবং অ’ন্ত্র দূ’র করে ফে’লতে হয়। যা অনেকের পক্ষে স’ম্ভব হয় না। তাই পটকা মাছ খাওয়া থেকে বি’রত থাকাই ভালো। আমাদের দেশেও পটকা মাছ খেয়ে অনেকের মৃ ত্যু হয়েছে, যা আম’রা পেপার-পত্রিকায় দেখেছি।

কাসু মা’রজু পনির: এই খাবারের বি’শেষত্ব হলো- এর ভেতরে থাকে পোকামাকড়। ইটালিয়ানরা এর অনেক ভক্ত। পেকোরিনো পনিরের স’ঙ্গে কীটের লা’র্ভা মিশিয়ে কাসু মা’রজু পনির তৈরি করা হয়। সময়ের স’ঙ্গে স’ঙ্গে পনিরটিকে নরম করে তোলে কীটগুলো। সুতরাং যখন এটি খাওয়ার জন্য দেয়া হয়, তখন পনিরের ভেতরটা অনেকটা ঘন তরল হয়ে থাকে।

কী’টপতঙ্গের উপা’দানযুক্ত হওয়ার কারণে কাসু মা’রজুর শ’ক্তিশালী এবং স্বা’তন্ত্র্য স্বাদ রয়েছে। তবে কাসু মা’রজুকে বিশ্বের স’বচেয়ে বি’পজ্জনক পনির বলে বর্ণনা করা হয়। কারণ এটায় স্বা’স্থ্য ঝুঁ’কি রয়েছে। সঠিকভাবে ‘না করে এটি খেলে পা’কস্থলীতে গ’ণ্ডগোল, বমি বা ডায়রিয়া হতে পারে।

রুবার্ব: অনেক রান্নাতে রুবার্ব ডাঁটা বেশ জনপ্রিয়। ব্রিটিশ মিষ্টান্ন অথবা পানীয় প্র’স্ততকারক তাদের খাবার তৈরির উপাদান হিসাবে এটি ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু রুবার্ব ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনাকে বিশেষভাবে স’ত’র্ক হতে হবে। কারণ ডাঁটার স’ঙ্গে যে সবুজ পাতাগুলো আছে তার ভেতর থাকে বি’ষ। এই বিষটি হলো অক্সালিক অ্যাসিড। যা অধিক পরিমাণে মানুষের শ’রীরে গেলে বমি বমি ভাব, শ’রীরের খনিজ শো’ষণ প্র’ক্রিয়া কমিয়ে দেয় এবং কি’ডনিতে পাথর তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। ডাঁটার ভেতরেও অ’ক্সালিক অ্যাসিড থাকে, তবে পাতায় এর পরিমাণ অনেক বেশি। তাই রুবার্ব বেশি পরিমাণে খেলে মা’রা যাওয়ার আশ’ঙ্কা রয়েছে।

সয়াবিনের স’ঙ্গে রেড বিনস: কাঁচা রেড বিনে এমন একটি উপাদান রয়েছে যা দূ’র করা না হলে স্বা’স্থ্যের জন্য ক্ষ’তিকর হতে পারে। যদিও রেড বিনস আর মজাদার সয়াবিন প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন আর খনিজ পদার্থে ভরপুর।

কিন্তু এগুলো প্রা’কৃতিকভাবে একটি বি’ষাক্ত জিনিস নিয়ে আসে, তাহলো এনজাইম ট্রিপ’সিন। যা হজ’মে বা’ধা সৃষ্টি করে। তখন পাক’স্থলীতে ব্য’থা আর বমি ভাব সৃষ্টি হয়। আপনি যদি খেতে চান তবে কমপক্ষে ১২ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে ভালো করে ধু’য়ে এবং পানি ঝড়িয়ে নিতে হবে। তারপরে এগুলোকে সেদ্ধ করা কিংবা রান্না করা যেতে পারে।

জায়ফল: বি’খ্যাত এই মসলাটি আসে ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় একটি গাছ থেকে। অনেক রান্নার প্র’স্তুতিতে এটি গু’রুত্বপূর্ণ একটি উপাদান এবং পু’ডিংয়ের ক্ষেত্রে এটি চম’ৎকার স্বাদ যোগ করে। মিষ্টান্নের বাইরে জায়ফল আলু, মাংস, সসেজ, সবজি রান্না এমনকি অনেক পানীয় তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়।

তবে এটি যদি অনেক বেশি পরিমাণে ব্যবহার করা হয়, তাহলে ভীতিকর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। যেমন বমি বমি ভাব, ব্য’থা, শ্বা’সকষ্ট হওয়া এমনকি মূর্ছা যাওয়া কিংবা মা’নসিক স’মস্যাও তৈরি হতে পারে। তাই জায়ফল যত কম খাওয়া যায় ততোই ভালো। কেননা অসু’স্থ হয়ে তো কোন লাভ নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.