মে’য়েদের সম্পর্কে এই ২ টি কথা আপনি জানেন না!

আপনি পুরুষ নাকি মহিলা? যেটাই হন, মেয়েদের সম্পর্কে এই তিনটে তথ্য না জানলে, আপনি মেয়েদের বুঝবেন কীভাবে!এখন প্রশ্ন হল কোন তিনটে জিনিস, তাই তো? শুনলে আপনারও হাসিই পাবে।

কিন্তু মাথায় রাখুন, এই তিনটে তথ্যই দিয়েছেন বিদেশের বিখ্যাত সব গবেষকরা দীর্ঘদিন গবেষণা কিংবা সমীক্ষা চালিয়ে। তথ্য ১) সমীক্ষা অনুযায়ী সারা জীবনে গড়ে একজন মহিলা ২ থেকে ৩ কিলোগ্রাম লিপস্টিক খায়!

তথ্য ২) একজন মহিলা গড়ে আয়নার দিকে তাকানোর পিছনে সময় ব্যয় করে বছরে ১২০ ঘণ্টা!তথ্য ৩) একজন মহিলা জীবনের আস্ত একটা বছর নষ্ট করে কোন পোশাকটা পরবে সেটা ঠিক করতে!

বুঝুন কাণ্ড। আপনার জীবনে যে মহিলা রয়েছেন, তিনিও কি এরকমই? নাকি অন্যরকম? অথবা আপনিই মহিলা। রাগবার বিষয় নয়। গবেষকরাই এমন তথ্য দিচ্ছেন।আরও পড়ুন…
১২টি সহজ কৌশলে গড়ে তুলুন নজরকাড়া ব্যক্তিত্ব আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী কে না হতে চায়। সহজ ভাষায়, ব্যক্তিত্ব হল আপনার চরিত্রের আপাত স্থায়ী বৈশিষ্ট্য।

যেভাবে আপনি কথা বলেন, আচরণ, আবেগের প্রকাশ ঘটান ইত্যাদি। কিন্তু এই ব্যক্তিত্ব বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ।কেননা এটি আপনাকে অন্যদের কাছে তুলে ধরে এবং আপনাকে অন্যদের কাছ থেকে আলাদা করে উপস্থাপন করে।

আমাদের চারপাশে এমন অনেকেই আছেন যাদের সাথে একবার মেশার পর তাদের ব্যক্তিত্বই তাদেরকে আমাদের কাছে স্মরণীয় করে রাখে।আড্ডায় বা অনুষ্ঠানে তাদের ঘিরেই থাকে জটলা।

এতো সহজে তাদের আসরের মধ্যমনি হয়ে ওঠা দেখে হয়তো একটি বারের জন্যে আপনারও মনে হয়,ইশ! আমি যদি তার মত ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে পারতাম! হতেই পারেন! চাই একটু অভ্যাস আর প্রচেষ্টা। আপনারই জন্যে রইলো কিছু টিপস-

প্ল্যান করে ফেলুনঃ
প্রথমেই প্ল্যান করে ফেলুন আপনি আপনার ব্যক্তিত্বে কি ধরনের পরিবর্তন আনতে চান। একেবারে খুঁটিনাটি সহ লিখে ফেলুন। যেমন- হতে পারে আপনি কথা বলার সময় খুব দ্রুত কথা বলেন,

যার কারণে অনেক কথাই বোঝা যায় না। আবার বেশী হাত বা মাথা নেড়ে, চিৎকার করে কথা বলা, বিরক্তিকর কোন ভঙ্গী বা আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলা,

একা একা থাকতে পছন্দ করা ইত্যাদি। এসব কিছুর প্রতিটি লিখে রাখুন পয়েন্ট আকারে। আর এ থেকে বের হবার জন্যে আপনার কি কি করা উচিৎ সেটাও পাশে লিখে ফেলুন।

কারো সাথে আলোচনা করুনঃ
কাছের কোন বন্ধু বা মা-বাবার সাথে আলোচনা করতে পারেন যে আপনার ব্যাক্তিত্বের কোন কোন বিষয়গুলো ভালো এবং কোন বিষয়গুলো পরিবর্তন করা দরকার। শুধু নিজের ব্যক্তিত্বের নেতিবাচক দিকগুলোই খুঁজবেন না। ইতিবাচক দিকগুলো সম্পর্কেও ধারনা রাখুন। সেগুলো যাতে হারিয়ে না যায়।

আমূল পরিবর্তন নয়ঃ
নিজেকে ১০০% পরিবর্তন করতে যাবেন না কখনোই! প্রতিটি মানুষেরই স্বকীয় কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে। যে কারণে সে অন্যদের তুলনায় স্বতন্ত্রভাবেই সুন্দর। সুতরাং নিজের এই স্বকীয় দিকগুলো বিসর্জন দিতে যাবেন না ভুলেও! নিজেকে পুরোপুরি হারিয়ে ফেলা কোন কাজের কথা নয়!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *