মাত্র ২ মিনি-টেই স্ত্রী’কে চরম সুখ দেওয়ার উপায় জেনে নিন।

অনেক পুরুষই তার স্ত্রী’কে চরম সুখ দেওয়ার পূর্বেই তার বী’র্যপাত হয়ে যায়। যার কারণে তার স্ত্রী অ’পূর্ণ তৃ’প্তি বোধ থেকে যায়। যার কারণে তাদের মে’জাজ বি’গড়ে যায়। তাই স্বামীর সাথে অনেক সময় ভালো আ’চরণ করতে পারে না। যার ফলে সংসারে অ’শান্তি নেমে আসে। স্ত্রী’রও পরপরুষের প্রতি আ’কৃষ্ট হয়।

তাই পরপুরুষকেই দিয়েই নিজেকে প’রিতৃপ্ত করতে চাই। তাই প্রত্যেক স্বামীরও উচিত নিজের স্ত্রী’কে চ’রম সুখ দেওয়া। অনেক পুরুষই পর্যাপ্ত যৌ’ন জ্ঞা’নের অভাবে স্ত্রী’কে চরম সুখ দিতে পারেন না।
কীভাবে না’রীকে দ্রুত অধিক তৃ’প্তি দেওয়া যাবে নিজের যৌ’ন দূ’র্বলতা থাকার পরও। টি’সগুলো দেওয়া হল: জেনে নিন সে’ক্স এর সময় সুখ বাড়ানোর উপায়- ১) স্প’র্শকাতর স্থানে যেমন গা’ল, ঠোঁ’ট, কান, গ’লায় ঘন ঘন চু’ম্বন করুন। আপনার নিঃশ্বাসের শব্দ যেন তাঁর কানে শো’না যায়।

২) আপনার স’ঙ্গিনীর উ’রুতে ঘ’র্ষ’ণ করুন। ৩) স’ঙ্গমের পূর্বে ফো’রপ্লে এবং স্প’র্শকাতর অ’ঙ্গে ও যৌ’না’ঙ্গে কা’মাদ্রিভাবে আ’লতোভাবে আদর করুন। ৪) যৌ’নাঙ্গে ম’র্দনের ফলে না’রী দ্রুত উ’ত্তেজিত হয়। ৫) না’রীর দেহের স্পর্শকাতর অ’ঙ্গগুলি ম’র্দন করুন। ৬) যো’নিতে আ’ঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে ঘ’র্ষ’ণ করুণ। ৭) যো’নিতে দুই ঠোঁ’টে আ’ঙ্গুল দিয়ে ঘ’র্ষণ করুণ। আরো পড়ুন: স’তীত্ব হা’রানোর পর না’রীদের দেহে যেসব পরিবর্তন ঘটে!

ভা’র্জিনিটি বা স’তী’ত্ব নিয়ে কথা বলা সাধারণত আমাদের দেশে ট্যা’বু। তবে সময় বদলাচ্ছে দ্রুত। অনেকেই এখন নিজের পছন্দ-অপছন্দ নিয়ে নানা সংবেদনশীল কথা মুখ ফু’টে বলতে শুরু করেছেন। তেমনই একটি বিষয় হল কু’মারী’ত্ব হা’রানো। এখনও কু’মারী’ত্ব হা’রানো নিয়ে অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। কু’মারী’ত্ব হারালে অহেতুক আত’ঙ্কে নয়, বরং স’চেতন থাকুন। ভা’র্জিনিটি বা কু’মারী’ত্ব হা’রালে না’রীর দেহে কী কী পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, সেই বিষয়টি এই প্রতিবেদনে তুলে ধরার চেষ্টা করা হল।

১. প্রথম সে’ক্সুয়াল ই’ন্টারকোর্সের পর না’রীর দেহে বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তার মধ্যে স’র্বাগ্রে থাকে যো’নির পরিবর্তন। ভ্যা’’ইনার ই’লাস্টিসিটিতে পরিবর্তন টের পাওয়া যায়। না’রীর গো’পনা’ঙ্গ ক্র’মশ মি’লনের জন্য উ’ন্মুখ হতে শুরু করে। একটা সময় নিয়মিত মি’লনের পর ভ্যা’’ইনা নিজেই লি’উব্রি কেটেড হতে শুরু করে দেয়। ২. ক্লি’টোরাস ও ই’উটেরাস বুঝতে শেখে, কখন সং’কুচিত ও প্র’সারিত হতে হবে। যৌ’ন উ’ত্তেজনা জা’গলে ক্লি’টোরাস সাড়া দিতে শুরু করে।

নিয়মিত যৌ’ন মি’লন হতে শুরু করলেই এই পরিবর্তনগুলি টের পাওয়া যায়। অন্যথা, না’রীর গো’পনা’ঙ্গ ‘ই’নঅ্যা’কটিভ’ই থেকে যায়। ৩. কু’মারীত্ব হা’রিয়ে না’রীর শ’রীর যখন মি’লনের আ’স্বাদ পেতে শুরু করে নিয়মিত, তখন শ’রীরের গুরুত্বপূর্ণ অ’ঙ্গগুলিতেও কিছু পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যায়। যেমন মি’লনের সয়ম ও খা’নিক পর স্ত’ন স্বাভাবিকের চেয়ে একটি দৃ’ঢ় হতে শুরু করে। কারণ, এই সময় কো’ষগুলিতে অধিক র’ক্ত সঞ্চা’লন হয়। স্ত’ন’বৃন্তগুলিও দৃঢ় হয় একই কারণে। ৪. স্ত’নবৃন্ত অধিক সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। নিয়মিত যৌ’ন মি’লনে অংশ নিলে শ’রীরের এরকমই বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *